Al-quran!!

আল কুরআনঃ ইহা একটি কৌতুক গ্রন্থ, গল্প গ্রন্থ, কবিতা গ্রন্থ, সন্ত্রাসী গ্রন্থ, নাকি কাম গ্রন্থ?

মুসলমানদের দাবী তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন কোন মানব রচিত গ্রন্থ নয়। এটি তাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ নিজের হাতে লিখেছে। তারপর এটি বার্তা বাহক দেবদূত জিব্রাইল ফেরেশতার মাধ্যমে মুহাম্মদের কাছে পর্যায় ক্রমে ২৩ বছর যাবত প্রেরণ করেছে। আর মুসলমানরা সেগুলোকে একত্র করে বই আকারে প্রকাশ করেছে। অতএব তাদের দাবী এটি অবশ্যই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কর্তৃক লিখিত গ্রন্থ (বই)।

কিন্তু মুসলমান বাদে পৃথিবীর সমস্ত মানুষ একথা এক বাক্যে স্বীকার করে যে, কুরআন কোন সৃষ্টিকর্তা বা অতি বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কারোও বই নয়। তাদের যুক্তি কুরআনে নানা রুপকথার গল্প, নানা অবাস্তব কথা, অবৈজ্ঞানিক এবং পরস্পর বিরোধী কথায় পরিপূর্ণ। তাই এটি কোন বুদ্ধিমান প্রাণী বা স্বত্ত্বার বাণী বা কথা হতে পারে না। বরং এটা তৎকালীন আরবের মানুষ বা গুটি কয়েক মানুষ কর্তৃক লিখিত একটা সাধারণ মানের বই। কারণ এতে তৎকালীন আরবের মানুষের ধ্যান ধারণাই বর্নিত হয়েছে সব জায়গায়। অতএব কুরআন অবশ্যই কোন আরবীয় মানুষ দ্বারা লিখিত বই।
কিন্তু মুসলমানরা সেই দাবী মেনে নেয় না। মুসলমানদের মতে কুরআনই পৃথিবীর শ্রেষ্ট ও সব চেয়ে জ্ঞানগর্ভ বই। এরকম বই পৃথিবীর কেউ লিখতে পারবে না। কুরআন আল্লাহ লিখেছে এবং কুরআনের সংরক্ষনের দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহর।

কিন্তু পৃথিবীর বাকী সব মানুষ একমত যে, কুরআনের মত একটা প্রাচীন ধাঁচের বই কখনই অতি বুদ্ধিমান কারো দ্বারা লিখিত নয়। ভূলে ভরা কুরআন কখনই কোন ঔশী গ্রন্থ হতে পারে না। আর কুরআন লিখা বা সংরক্ষনে আল্লাহর কোন ভুমিকা নেই। কুরআন মুহাম্মদের মুখ নিঃশৃত ও মুহাম্মদের আশেপাশের মানুষ দ্বারা লিখিত এবং কুরআন সংরক্ষনেও একমাত্র মুহাম্মদের অনুসারীদের ভুমিকাই রয়েছে। প্রথমে আবু বক্কর কর্তৃক কুরআনকে বই আকাশে প্রকাশ এবং শেষে উসমান কর্তৃক সংশোধনই কুরআন সংরক্ষনের মূল ভুমিকা রেখেছে। এমন কি যে কুরআন আবু বক্করের শাসন আমলে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল সেই কুরআনকে সম্পূর্ন ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এর ভূল ভ্রান্তি দুর করে নির্ভুল কুরআন বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি বাকী কুরআন গুলোকে বা কুরআনের খন্ডাকার অংশগুলোকে পুড়িয়ে ধ্বংশ করে ফেলা হয়েছে। অর্থাৎ আজকে যে কুরআনকে মুসলমানরা নির্ভুল এবং আল্লাহ কর্তৃক সংরক্ষিত দাবী করে সেটা আসলে ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান কর্তৃক সংশোধিত করা বই।

সুতরাং মুসলমানদের দাবী পুরটাই ভ্রান্তিপূর্ণ।

কুরআনের ভুল ভ্রান্তিগুলো মানুষ একে একে প্রকাশ করেছে এবং এগুলো সবার মধ্যে প্রচার করেছে। আমি এই পর্বগুলোতে সম্পূর্ণ কুরআনের আয়াতগুলোকে বিশ্লেষন করে ধারাবাহিক ভাবে দেখানোর চেষ্টা করবো কুরআন কেন কোন অতি বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কারো লেখা গ্রন্থ নয় এবং কুরআন একজন সাধারণ অশিক্ষিত মানুষের লেখা বই।

কুরআনের লেখা গুলো সূরা আকারে বিভক্ত। কুরআনে ১১৪টা সূরা আছে। প্রত্যেক সূরার নাম আলাদা আলাদা এবং এগুলো আলাদা আলাদা অধ্যায়ের মতো করে সাজানো হয়েছে। প্রত্যেক সূরাতে আবার অনেকগুলো আয়াত রয়েছে। কোন সূরাতে তিনটি বা চারটি আবার কোন সূরাতে ২০০টিরও বেশী সূরা রয়েছে। আয়াতগুলো কখনও একটি বাক্য আবার কখনও একটি বাক্যের অংশ এবং কখনও একাধিক বাক্যের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। আয়াতগুলোকে কবিতার মত করে একটা বাক্য এবং তার নিচে আরেকটা বাক্য এভাবে লেখা হয়েছে। অর্থাৎ কুরআনর সূরা গুলো কবিতার মত করে সাজানো কিন্তু প্রত্যেক আয়াতকে ১, ২, ৩, এভাবে নাম্বার দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। নাম্বার দেয়া না থাকলে কুরআনের সূরা গুলোকে কবিতা বলা যেত।

কুরআনে ১১৪টি সূরা যা কবিতার মত করে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রত্যেক সূরা অনেকগুলো আয়াত নিয়ে গঠিত আর এই আয়াতগুলো একটার নিচে আরেকটা এভাবে সাজানো। অর্থাত সূরা গুলোকে কবিতা হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। কিছু কিছু আয়াত ছন্দাকারে কাব্যিক ভাবে লেখা এবং কিছু কিছু আয়াত গদ্যের ভাষায় লেখা।

কুরআনের প্রথম সূরা বা কবিতা হল, সূরা ফাতিহা। এটাকে ভুমিকা বা সূচনা সূরা বলা হয়। কারণ ফাতিহা মানে হল সূচনা। তো ভুমিকা সূরা বা কবিতাটি পড়লে মনে হয় এটি কেউ একজন তার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করছে।

সূরাটি বর্ননা করার আগে একটি কথা আবারো বলে নিচ্ছি যে, মুসলমানদের দাবী কুরআনে লিখিত সব গুলো বাক্য বা বাণীই আল্লাহর কথা বা বাণী। সুতরাং কুরআনে বর্ণিত প্রত্যেকটি বাক্যই হবে মুসলমানদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর বাণী।

তাহলে কুরআনের প্রথম সূরা বা কবিতাটি পড়া শুরু করে দেই !

সূরা ফাতিহা (সূচনা); মক্কায় অবতীর্ণ,

১. “আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি, যিনি পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু ।”
ব্যাখ্যাঃ এটি কুরআনের প্রথম আয়াত বা বাক্য কিনা সেটা নিয়ে সবাই একমত নয়। কোন কোন অনুবাদক এটাকে আয়াত হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। আবার কোন কোন অনুবাদক এটাকে আয়াতের বাইরে রেখেছেন। আসুন আমরা বিশ্লেষণ করে দেখি এটা আসলেই কোন আয়াত কিনা।

যেহেতু কুরআনে বর্ণিত প্রত্যেকটা আয়াত বা বাণীই আল্লাহর তাই এই আয়াতটি কুরআনের আয়াত হতে পারবে না। কারণ আল্লাহ কখনই বলবে না যে, আল্লাহ তার নিজের নামেই শুরু করছে। যদি এটিকে আয়াত ধরি তবে এর অর্থ হবে আল্লাহ নিজেই নিজের নামে আরম্ভ করার কথা বলছে। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে এটি কুরআনের আয়াত নয়। এটি মুহাম্মদ বা অন্যান্য মুসলমানের বলা কথা। যেহেতু মুসলমানরা আল্লাহকে প্রভু ও সৃষ্টিকর্তা বলে মনে করে তাই তারাই বলতে পারে যে, তারা আল্লাহর নামে আরম্ভ করছে।
সুতরাং আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি এটি কুরআনের কোন আয়াত নয়।

২. “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।”
ব্যাখ্যাঃ এই আয়াত বা বাক্যটিকেও কুরআনের আয়াত বলে মনে হচ্ছে না। যদি এটি কুরআনের আয়াত হয় তাহলে এটি আল্লাহর কথা হবে না; আল্লাহ কি বলবে যে “সমস্ত প্রশংসা তার যিনি জগৎসমূহের প্রতিপালক” ? এখানে যিনি শব্দটি ব্যবহার করাতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে যে, আয়াত বা বাক্যটি আসলে কার; আল্লাহর নাকি মুহাম্মদের ? কারণ আল্লাহ নিশ্চয়ই বলবে না যে তাঁর নামে শুরু করছি যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক। তাহলে আল্লাহ কাকে জগৎসমূহের প্রতিপালক বলছেন?
সুতরাং চোখ বন্ধ করেই বলা যায় এই আয়াতটি আল্লাহর নয়। এটি কোন মানুষের। যেহেতু কুরআনের কথা মুহাম্মদের মুখ থেকেই প্রথম বের হয়েছে, তাহলে এটি অবশ্যই মুহাম্মদের নিজের বাণী। আর মুহাম্মদের পক্ষেই এটা স্বাভাবিক যে সে আল্লাহকে বলছে, “যিনি জগত সমূহের প্রতিপালক”।
কিন্তু সব মুসলমানই একমত যে, এই আয়াতটি স্বয়ং আল্লাহর ।
তাহলে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক তাহলে আল্লাহ কাকে বলছেন যে “যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক”? তাহলে কি আল্লাহর চেয়ে আরও শক্তিশালী কোন আল্লাহ আছে নাকি?

৩. “তিনি পরম করুণাময়, অতিশয় দয়ালু।”
ব্যাখ্যাঃ এই আয়াতটিতেও খুব গন্ডগোল দেখা দিচ্ছে। আল্লাহ কাকে বলছে যে, “তিনি পরম করুণাময়, অতিদয়ালু ?” যেহেতু কুরআন আল্লাহর বাণী তাই নির্দ্বিধায় বলা যায় আল্লাহই তার প্রভুকে পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু বলছে। তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে, আল্লাহর চেয়েও কোন অতি ক্ষমতাবান কেউ আছে যার করুণা ও দয়া আল্লাহর প্রয়োজন হয়। আর সেই অতি ক্ষমতাবাণ স্বত্ত্বাটি আল্লাহকে করুণা ও দয়া করে আল্লাহকে খুশি করে বলে আল্লাহ সেই অতিআল্লাহ বা অতিসৃষ্টিকর্তাকে পরম করুণাময় ও অতিদয়ালু বলে সম্বোধন করেছে।

৪. “যিনি বিচার দিবসের মালিক।”
ব্যাখ্যাঃ যে অতিআল্লাহটি আল্লাহকে করুণা ও দয়া করেন সেই অতিআল্লাহ বা অতি সৃষ্টিকর্তাকে আল্লাহ বিচার দিনের মালিক বলে দাবী করছে। অর্থাৎ মুসলমানদের দাবী যে, আল্লাহই বিচার দিনের মালিক বা বিচারক, তাদের দাবীটি আসলে সত্য নয়। কারণ আল্লাহ নিজেই কুরআনে বলছে যে, আল্লাহর যে প্রভু বা সৃষ্টিকর্তা তিনিই আসলে বিচার দিনের মালিক হবে। আল্লাহ বিচার দিনের মালিক নয়। আল্লাহর প্রভু বা অতিআল্লাহ বা অতিসৃষ্টিকর্তাটি হলো বিচার দিনের আসল মালিক বা বিচারক। অর্থাৎ বিচার দিনে মানুষের পাশাপাশি আল্লাহরও বিচার করবেন সেই অতি আল্লাহ বা অতি সৃষ্টিকর্তা।

৫. “আমরা শুধুমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি।”
ব্যাখ্যাঃ আল্লাহ তার সৃষ্টিকর্তা অতিআল্লাহর ইবাদত করে এবং তার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করে। অর্থাৎ মুসলমানরা যে আল্লাহর ইবাদত করে আর সাহায্য প্রার্থনা করে সে আল্লাহ নিজেই তার থেকে বড় সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করে আর তার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করে। আমার মতে মুসলমানদের আল্লাহকে ইবাদত না করে সেই অতিআল্লাহকে বা অতিসৃষ্টিকর্তাকে ইবাদত করাই উত্তম হবে।
আরেকটা ব্যাপার লক্ষনীয় যে, আল্লাহ এই আয়াতে বলছে যে, “আমরা তোমারই ইবাদত করি” এখানে ‘আমরা’ শব্দটি দিয়ে আল্লাহ বুঝিয়েছে যে, আল্লাহ আসলে একা সৃষ্টিকর্তা নয়; তার মতো আরোও অনেক আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা আছে। অর্থাৎ অতিআল্লাহ বা অতিসৃষ্টিকর্তার অধিনে আরোও অনেকগুলো আল্লাহর মত ছোট সৃষ্টিকর্তা আছে।

৬. “আমাদেরকে সরল সঠিক পথ-প্রদর্শন করুন।”
ব্যাখ্যাঃ আল্লাহ তার সৃষ্টিকর্তা বা প্রভুকে প্রার্থনা করে বলছে যে, তিনি (অতিআল্লাহ বা আল্লাহর সৃষ্টিকর্তা) যেন তাদেরকে (আল্লাহর মত ছোট সৃষ্টিকর্তাদেরকে) যেন সরল বা ভালো পথ ও সঠিক পথ দেখিয়ে দেন। বুঝা যাচ্ছে মানুষের মত ছোট সৃষ্টিকর্তাগুলো অর্থাৎ আল্লাহরা সঠিক ও সরল পথ চিনতে পারে না। তাই মানুষদের মতো তারাও (আল্লাহরাও) তাদের সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করে বলছে যে তাদেরকে যেন সেই অতি আল্লাহ বা অতি সৃষ্টিকর্তা সরল, সঠিক পথ চিনিয়ে দেন।

৭. “তাদের পথ, যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ করেছো, তাদের (পথ) নয় যাদের প্রতি তোমার গযব বর্ষিত হয়েছে, এবং তাদের (পথও) নয় যারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে।”
ব্যাখ্যাঃ আল্লাহ তার সৃষ্টিকর্তা অর্থাৎ অতি আল্লাহ বা অতি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে বলছে যেন সেই অতি সৃষ্টিকর্তাটি আল্লাহকে তাদের (আল্লাহর মত অন্যান্যা ছোট সৃষ্টিকর্তা) পথে পরিচালিত করেন যাদের প্রতি সেই অতি সৃষ্টিকর্তাটির অনুগ্রহ বা দয়া প্রদর্শিত হয়েছে। আল্লাহ তার প্রভু সৃষ্টিকর্তার নিকট অর্থাৎ সেই অতি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে বলছে যেন তিনি (অতি সৃষ্টিকর্তা) তাকে (আল্লাহকে) সেই সব ছোট সৃষ্টিকর্তাদের পথে পরিচালিত না করেন যাদেরকে সেই অতি সৃষ্টিকর্তাটি গযব বর্ষিত করেছেন। আর আল্লাহ তার প্রভু (অর্থাৎ আল্লাহ ও অন্যান্য ছোট সৃষ্টিকর্তাদের যিনি সৃষ্টি করেছেন, সেই অতিসৃষ্টিকর্তা) তার কাছে আরও প্রার্থনা করছে যে, সেই অতি সৃষ্টিকর্তা যেন তাদেরকে (আল্লাহর মত ছোট সৃষ্টিকর্তাদেরকে) তাদের পথে পরিচালিত না করেন যারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে।

উপরিউক্ত আয়াতগুলো থেকে এটা বুঝা যাচ্ছে স্পষ্টভাবে যে, মানুষ যে আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা ভেবে বসে আছে আর দিন রাত শুধু সেই আল্লাহকেই ইবাদত করছে সেই আল্লাহ আসলে সেই সৃষ্টিকর্তা নয় যা মুসলমানরা মনে করে। আসলে আল্লাহরও একজন সৃষ্টিকর্তা আছে যে আল্লাহর মত আরো অনেক ছোট ছোট সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন এবং সেই সব সৃষ্টিকর্তাদের দিয়ে বিশ্বজগতকে সৃষ্টি করিয়েছেন এবং পরিচালিত করাচ্ছেন। সেই অতি আল্লাহ বা অতি সৃষ্টিকর্তাটিই আসলে বিশ্বজগতের আসল সৃষ্টিকর্তা।
কিন্তু মুসলমানরা ভুল করে আল্লাহকে অর্থাৎ একটা ছোট সৃষ্টিকর্তাকে প্রধান সৃষ্টিকর্তা ভেবে বসে আছে। আর আল্লাহকেই ইবাদত করছে। কিন্তু সেই আল্লাহরও যে একজন সৃষ্টিকর্তা আছে আর আল্লাহও যে সেই অতি সৃষ্টিকর্তাটির ইবাদত করে সেটা তারা বুঝতে পারছে না।
এটা অবশ্য আল্লাহর দোষ নয়। কারণ আল্লাহ সূরা ফাতেহার মাধ্যমে বলেই দিচ্ছে যে, তারও একজন সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা রয়েছে। আর আল্লাহ সেই অতি সৃষ্টিকর্তাটির ইবাদত করে এবং তার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করে। অর্থাৎ মুসলমানরা ভুল সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করে। তাদের আসলে সেই অতি সৃষ্টিকর্তাকে ইবাদত করা উচিৎ যে আল্লাহর মতো অনেক ছোট সৃষ্টিকর্তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।

আল্লাহর যে একজন সৃষ্টিকর্তা আছে সেটা আল্লাহ সূরা ফাতেহার মাধ্যমে সব মানুষকে জানিয়ে দিয়েছে।
আর আমি মনে করি মুসলমানদের আল্লাহকে ইবাদত করা বাদ দিয়ে সেই অতি আল্লাহ বা অতি সৃষ্টিকর্তাটির ইবাদত করা উচিত।

– সংগৃহীত

আমার কথাটা যারা মেনে নিতে চাইবেন না তারা যেন বলেন না যে, কুরআন আল্লাহর বাণী। কুরআনকে যদি আল্লাহর বাণী মনে করেন তবে আপনাদের অবশ্যই এটা মেনে নিতে হবে যে, আল্লাহরও একজন অতি সৃষ্টিকর্তা রয়েছে যার কথা আল্লাহ সূরা ফাতেহায় উল্লেখ করেছে।
আর যদি বলেন সূরা ফাতেহা আল্লাহর করা প্রার্থনা নয় তবে এটা স্বীকার করে নিতেই হবে যে কুরআন আল্লাহর বাণী নয়। কুরআন মুহাম্মদের বাণী। অন্তত সূরা ফাতেহা আল্লাহর বাণী নয়, সূরা ফাতেহা মুহাম্মদের বাণী।